Imported post: Facebook Post: 2021-06-18T08:22:52
পৃথিবীতে প্রতি ১০০ বছর অন্তর অন্তর সংক্রমণ দেখা গেছে। কোনোটাই চলে যায় না, তবে প্রতিষেধক রয়েছে বলে অনেক দেশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোভিড-১৯ সেরকম একটি ভাইরাস, কোনো দিনও আর যাবে না।
তাই, প্রতিষেধক ব্যতীত বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করে সুফল পাওয়া যাবে না।
আমাদের পুঁজিবাদী বিশ্বের চরিত্র সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে গরীব দেশগুলোর জনগণের সাথে চরমভাবে অসদাচরণ করছে। তাঁরা দশ শতাংশ মানুষের জন্য টিকা দিবে। এর থেকে তাঁদের অমানবিক নিষ্ঠুরতার কাহিনীগুলো আবারও তৃতীয় বিশ্বের মানুষদের ভাবতে হবে।
তাঁরা চায় আমাদেরকে কুলি মজুর অর্থাৎ শ্রম দাস জাতিতে পরিণত করতে।
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর তাই, শিক্ষাকে ধ্বংস করতে পারলে কোনো জাতি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারবে না। ফিরে দাঁড়াতে ১০০ বছর সময় লাগবে।
আমাদের এসব পুঁজিবাদের প্রেতাত্মাদের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তাঁরা কিন্তু গরীব বিশ্বের চরিত্র পরিবর্তনীয় ভ্যাকসিন নিয়ে ব্যবসা করে। তাঁরা করোনার টিকা দিতে তাল-বাহানা করে।
তৃতীয় বিশ্বের মেধা ওঁরা কিনে নিয়ে শূন্য করে দেয়। এটাও ওঁদের ষড়যন্ত্রের একটি বড় অংশ। আমাদেরকে ওঁরা প্রযুক্তি দান করে ব্যবসা করে কিন্তু আমরা আবিস্কার করতে পারি না। আজ আমরা আমাদের টিকা আমরা আবিস্কার করতে পারছি না।
আর কত যুগ বা শত বা সহস্রাব্দ আমরা ওঁদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকব।
এ অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে।
শিক্ষাব্যবস্থাকে যাতে ধ্বংস না করতে পারে সেজন্য দেশপ্রেমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
পুঁজিবাদের প্রেতাত্মাদের সনাক্ত করে তাঁদেরকে প্রতিহত করতে হবে।
ওঁরা ওঁদের পণ্য পরিবহনের জন্য আমাদেরকে যোগাযোগ ক্ষেত্রে বেশি বেশি ঝণ দিবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সৎ পরামর্শটুকুও দিবে না।
তাই, আমাদের শিক্ষা নিয়ে আমাদেরই ভাবতে হবে।
কীভাবে জাতীয়করন করা যায় সে বিষয়ে গবেষণা করতে হবে।
জাতীয়করণের বিকল্প নেই।
শিক্ষায় চরম বৈষম্যের চূড়ায় উঠে টেকসই উন্নয়নের কথা বাহুলতা মাত্র।।।।।
শিক্ষা হয়ে গেছে মনোপলি মার্কেটের পণ্য। কারণ, প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ যেই নীতি নির্ধারণ করেন সেটাই প্রকৃতপক্ষে এখন শিক্ষানীতিতে পরিণত হয়েছে।
অভিভাবকগণ অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে তাঁদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। তাঁরা সদাই বাণিজ্যিক চিন্তায় মশগুল। আর কীভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা করবে, ধোঁকা দিবে এ গবেষণাই তাঁরা করে।
ছোট কালে দেখতাম শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রেণি পাঠ মূল্যায়ন করত। আর এখন প্রধানের কক্ষে বসে চা-পাতি নিয়ে চলে যান।
চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য। সুযোগে ঢুকে পড়ছে মেধাহীন অপ কারিগর। ধ্বংস করছে শিক্ষা। করছে কোচিং বাণিজ্য থেকে নকল বাণিজ্য। জাতির কর্ণধারগণও যেন তাঁদের কাছে অসহায়। কোনো প্রতিকার করতে পারছে না। তাঁদের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিতেও ভয় পায় দুদক।
তাঁদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিতে রয়েছে মাফিয়া ডন।
আপনি প্রতিবাদ করবেন আপনার পাশে কেউ দাঁড়াবে না। আপনি গুম খুনও হয়ে যেতে পারেন। আপনাকে খুঁজে বের করারও কেউ থাকবে না।
আমি শিক্ষক ও অভিভাবক হয়ে যখন দেখি শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে অথচ কেউ মুখ খুলতে পারছে না। কারণ এতটাই সংঘটিত এবং পরিকল্পিত পথে এগিয়ে যাচ্ছে ওঁদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস রাখে না।
আর, অভিভাবকগণও শিক্ষার মান নিয়ে কেন যেন উদাসীন। এটাও গবেষণার বিষয়। আর সেই সুযোগ নিচ্ছে সরকার। সরকার নিচ্ছে সস্তা সুনাম। আর সুনাম এনে দিচ্ছে জিপিএ নামক যাদুকর! যাদুকরের ফাঁকি কারো বোঝার যেন ক্ষমতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।।।।।।।।
!!!!!!!!
.png)
No comments
Thanks for your valuable comment.